ক্লোড ব্যবহারকারীদের সক্রিয় সেশন হাতিয়ে নিল ম্যালওয়্যার
ইনফোস্টিলার ম্যালওয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের পিসি থেকে সক্রিয় ক্লোড লগইন সেশন চুরি করা হয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত চার্জ এবং ব্যবহারের কোটা ফুরিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউটসহ অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা নিয়েছে অ্যানথ্রপিক।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ইনফোস্টিলার ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা পিসি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট ক্লোডের সক্রিয় লগইন সেশনগুলো হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের অজান্তেই অননুমোদিত চার্জ এবং তাদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের কোটা দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনাটি সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক। বিষয়টি শনাক্ত করার পর তারা তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু নিরাপত্তা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাইন আউট বা লগআউট করিয়ে দেয়।
শুধু লগআউটের মাধ্যমেই ক্ষান্ত হয়নি অ্যানথ্রপিক। ব্যবহারকারীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাদের অ্যাকাউন্টে সেভ করে রাখা বা সংরক্ষিত পেমেন্ট কার্ডগুলোও সম্পূর্ণ ডিলিট বা মুছে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি ম্যালওয়ারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে কেটে নেওয়া অননুমোদিত চার্জ বা অর্থও ফেরত (রিফান্ড) দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
তদন্তে এই বিপজ্জনক সাইবার হামলার পেছনে সুনির্দিষ্ট ছয়টি ম্যালওয়্যার পরিবারকে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করেছে অ্যানথ্রপিক। ম্যালওয়্যার পরিবারগুলো হলো—ভিডার, লুমা, স্টিলসি, রেডলাইন, এক্রিন এবং অ্যাটমিক স্টিলার বা এএমওএস। এই ম্যালওয়্যারগুলোর মাধ্যমেই মূলত সক্রিয় সেশনগুলো সংগ্রহ করা হয়েছিল।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, যাদের অ্যাকাউন্টে এমন অদ্ভুত পরিস্থিতি দেখা গেছে যে ব্যবহারের লিমিট বা সীমা নিজে থেকেই পূর্ণ হয়ে আবার খালি হয়ে গেছে—বিশেষ করে যখন তারা ক্লোড ব্যবহার করছিলেন না—তখন এর মূল কারণ ছিল এই ম্যালওয়ারের আক্রমণ।
পুরো বিষয়টি নিয়ে সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এর মধ্যে ক্রাউডস্ট্রাইকের কাউন্টার অ্যাডভার্সারি অপারেশনস বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডাম মেয়ার্সসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও সংবাদমাধ্যম এই নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে নজর রাখছেন।








