কেনিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধানসহ ৭ নিহত
কেনিয়ার সামবুরু কাউন্টিতে একটি পর্যটকবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধান মিশেল সেনসি-কন্টুগিসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন মার্কিন নাগরিক রয়েছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

কেনিয়ার সামবুরু কাউন্টিতে গত ১৯ আগস্ট একটি পর্যটকবাহী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধান মিশেল সেনসি-কন্টুগি এবং তার স্ত্রীসহ মোট সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার ঘটা এই দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত মিশেল সেনসি-কন্টুগি ইকুয়েডরের জাতীয় গোয়েন্দা সেন্টারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার বয়স সম্পর্কে ৪২ বছর বয়সী বা ৪৪ বছর বয়সী বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি টেলিমুন্ডো এবং এনবিসি-ইউনিভার্সাল-এর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। দুর্ঘটনায় তার প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এই দুর্ঘটনায় মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন মার্কিন নাগরিক রয়েছেন বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। পর্যটকবাহী এই হেলিকপ্টারটিতে ভ্রমণকারী যাত্রীদের পরিচয় ও জাতীয়তা নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার ও তদন্তের কাজে নামে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। কেনিয়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (কেসিএএ), কেনিয়া রেড ক্রস এবং এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (এএআইডি) যৌথভাবে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ভয়াবহ এই বিমান দুর্ঘটনায় বিশ্বজুড়ে শোক প্রকাশ করা হচ্ছে। ইকুয়েডরের রাষ্ট্রপতি ড্যানিয়েল নোবোয়া এই ঘটনায় গভীর শোক ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন মহল থেকে সমবেদনা জানানো হচ্ছে।
নিহতদের মধ্যে মিশেল সেনসি-কন্টুগি ও তার স্ত্রী স্টেফানিও ছিলেন। তাদের অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে রবার্তো লুক একটি মর্মস্পর্শী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "আজ মিশেল ও স্টেফানি আমাদের ছেড়ে খুব তাড়াতাড়ি চলে গেলেন। তাদের পরিবার, বিশেষ করে সন্তান ও বাবা-মায়ের কথা ভাবছি।"
এই দুর্ঘটনায় আরও যাদের নাম বা সংশ্লিষ্টতা আলোচনায় এসেছে, তাদের মধ্যে ফ্রেডরিক কাবুঙ্গে, হোসে আলবার্তো সুয়ারেজ এবং সিজার কন্দে অন্যতম। কেনিয়ার সামবুরু কাউন্টিতে ঘটা এই বিমান দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (এএআইডি) এবং কেনিয়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (কেসিএএ) তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।








