কেনিয়ার মাসাই মায়ার এক সিংহশাবককে নিয়ে আসছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
কেনিয়ার মাসাই মায়ার বন্য পরিবেশে চার বছর ধরে বেড়ে ওঠা কিও নামের এক সিংহশাবকের জীবন নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন প্রামাণ্যচিত্র সিরিজ ‘লায়ন’। ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই সিরিজটি পরিচালনা ও যুক্ত রয়েছেন জন ফেভরু। আগামী ১৯ আগস্ট এটি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে এবং ২০ আগস্ট ডিজনি প্লাস ও হুলুতে সম্প্রচারিত হবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

কেনিয়ার মাসাই মারা ন্যাশনাল রিজার্ভের বন্য পরিবেশে বেড়ে ওঠা এক বাস্তব জীবনের সিংহশাবককে কেন্দ্র করে নির্মিত নতুন প্রামাণ্যচিত্র সিরিজ ‘লায়ন’ মুক্তি পেয়েছে। ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই তথ্য জানা গেছে। কেনিয়ার বিখ্যাত এই সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কঠোর ও প্রাকৃতিক পরিবেশে বন্য জীবনের নানা অধকে খুব কাছ থেকে তুলে ধরা হয়েছে এই আয়োজনে।
এই প্রামাণ্যচিত্র সিরিজটির মূল আকর্ষণ হলো ‘কিও’ নামের একটি বন্য সিংহশাবক। কিওর জীবনযাত্রাকে অনুসরণ করে এই সিরিজের কাজ পরিচালিত হয়েছে। কেনিয়ার মাসাই মারা ন্যাশনাল রিজার্ভের বিশাল প্রান্তরে একটি সিংহের পালের সঙ্গে কিও কীভাবে বড় হয়ে উঠেছে, তার ওপর দীর্ঘ সময় ধরে নজর রাখা হয়েছে।
প্রামাণ্যচিত্রটি তৈরিতে বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করা হয়েছে। পুরো প্রকল্পের কাজে ৫২টি আলাদা পর্যায়ে চিত্র ধারণ করা হয়েছে। বনের মধ্যে সিংহদের স্বাভাবিক আচরণ ও জীবনধারা ক্যামেরাবন্দি করতে প্রায় ১ হাজার ৪০০ দিন সময় ব্যয় করা হয়েছে, যা বন্যপ্রাণীভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।
চার বছর ধরে বনের মধ্যে সিংহের পালকে অনুসরণ করার এই পুরো অভিজ্ঞতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জন ফেভরু জানিয়েছেন, এই দীর্ঘ সময়ে বন্য পরিবেশে সিংহের পালকে অনুসরণ করার অভিজ্ঞতা তাদের বারবার বিস্মিত করেছে। বন্যপ্রাণীর জীবনযাত্রার এমন সূক্ষ্ম দিক এর আগে খুব কমই এতটা গভীরভাবে ক্যামেরায় ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।
এই বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র সিরিজটি তৈরিতে আন্তর্জাতিক মানের বেশ কয়েকজন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। সিরিজটির সঙ্গে পরিচালক বা সংশ্লিষ্ট হিসেবে যুক্ত আছেন জন ফেভরু। এছাড়া সিরিজটির নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মাইক গানটন। এর চমৎকার আবহ সংগীত পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত সুরকার হ্যান্স জিমার।
প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণের পেছনে কাজ করেছে বিশ্বখ্যাত দুটি প্রতিষ্ঠান। এটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এবং বিবিসি স্টুডিওস ন্যাচারাল হিস্ট্রি ইউনিট। বিশ্বজুড়ে বন্যপ্রাণীপ্রেমী দর্শকদের কাছে এটি পৌঁছে দিতে সম্প্রচারের বিশেষ সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘লায়ন’ সিরিজটি আগামী ১৯ আগস্ট ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রচারিত হবে। এর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২০ আগস্ট থেকে জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ডিজনি প্লাস এবং হুলুতে দর্শকরা এটি দেখতে পাবেন। এর মাধ্যমে বিশ্ববাসীর সামনে মাসাই মায়ার সিংহের পালের অজানা জীবন আরও একবার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।








