কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের সফর ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়া সফর করেন। এ সময় তিনি খোকসা থানা পরিদর্শন ও গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। পরে তিনি খোকসা জানিপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভায় যোগ দেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কুষ্টিয়া জেলা সফর করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। সফরকালে তিনি বিভিন্ন সরকারি ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
কুষ্টিয়া সফরের শুরুতেই প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন খোকসা থানা পরিদর্শনে যান। সেখানে পৌঁছালে তাঁকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হয়। খোকসা থানা পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
থানা পরিদর্শনের পর প্রতিমন্ত্রী খোকসা জানিপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় যোগ দেন। খোকসা জানিপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের এই জনসমাগম ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এ সময় তিনি একটি বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, 'বিরোধী দল হিসেবে লংমার্চের নামে জ্বালানি অপচয় ও জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি না করে গত ছয় মাসে তারা কতটুকু সফল হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা উচিত।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের কর্মসূচিতে প্রায় ১ লাখ লিটার জ্বালানি তেল খরচ হতে পারে।
জনগণের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, 'আমি মনে করি ওই লংমার্চ কর্মসূচিটা অযথাই জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে এবং জাতীয় সম্পদ নষ্ট করবে।' তাঁর এই বক্তব্য উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
উক্ত আলোচনা সভা ও কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ হলেন সোহরাব উদ্দিন, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, আলাউদ্দিন খান, সৈয়দ আমজাদ আলী, মো. রিপন হোসেন এবং মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম ও সার্বিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে সভায় আলোচনা হয়।








