কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে ২৫ দিনে সংস্কারের পর ২৮ আগস্ট কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৪৫ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি এখন থেকে কেবল পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৪৮· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকার দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সংস্কারকৃত লোহা ব্রিজটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নিজস্ব অর্থায়নে এবং সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটির সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই কাজটি সম্পন্ন হতে মাত্র ২৫ দিন সময় লেগেছে।
গত ২৮ আগস্ট এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রিজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। এ সময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আহসান হাবীবসহ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজের দৈর্ঘ্য ১৪৫ মিটার এবং এর প্রস্থ ৪.২ মিটার। স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত আরও নিরাপদ ও সুগম করতে এই অবকাঠামোটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন এই সংস্কারের ফলে ব্রিজটির স্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার মানুষ বিভিন্ন দৈনন্দিন কাজে যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজটি ব্যবহার করে থাকেন। কামরাঙ্গীরচর এলাকার সঙ্গে রাজধানীর অন্যান্য অংশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোটি উন্মুক্ত হওয়ার ফলে এলাকার ৫০ লাখ নাগরিক সরাসরি উপকৃত হবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, নগরবাসীর যাতায়াত সুগম ও নিরাপদ করতে সিটি করপোরেশন বদ্ধপরিকর। নিজস্ব অর্থায়নে রেকর্ড সময়ের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করা তারই একটি প্রমাণ।
ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এই লোহা ব্রিজটি কেবল পথচারীদের চলাচলের জন্যই পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকবে। এর ফলে সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।








