কাপ্তাই বাঁধে পানির চাপ কমাতে ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হলো
কাপ্তাই হ্রদের পানির অতিরিক্ত চাপ কমাতে বাঁধের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে স্পিলওয়ে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র মিলিয়ে প্রতি সেকেন্ডে মোট ৪১ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে পড়ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

কাপ্তাই হ্রদের পানির চাপ কমাতে বাঁধের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার এই জলকপাটগুলো খুলে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। হ্রদের পানির ক্রমবর্ধমান চাপ নিয়ন্ত্রণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। এর আগে হ্রদের পানি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে গত ১৮ জুলাই প্রথম দফায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় গত ২৩ জুলাই সেই জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, বর্তমানে জলকপাট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হচ্ছে। বাঁধের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়ার ফলে এই পরিমাণ পানি নিষ্কাশন সম্ভব হচ্ছে।
মাহমুদ হাসান আরও জানান, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সচল ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি সেকেন্ডে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। ফলে স্পিলওয়ে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন উভয় মাধ্যম মিলে এখন প্রতি সেকেন্ডে মোট ৪১ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে আছড়ে পড়ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল, ১০৫.৯৮ ফুট এমএসএল এবং ২৯ আগস্টের বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানে হ্রদের পানির উচ্চতা ও ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আলোচিত হয়েছিল। তবে বর্তমান পদক্ষেপে হ্রদের পানির অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। হ্রদের পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএলের বিষয়টি মাথায় রেখে এবং নদীর পানিপ্রবাহের গতিপ্রকৃতি বিবেচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।








