কপ-১৭ সাইডলাইনে পরিবেশমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
কপ-১৭ সম্মেলনের সাইডলাইনে ভূমি অবক্ষয়, খরা, জলবায়ু সহনশীলতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ২:০১· ১ মিনিট পড়া

কপ-১৭ সম্মেলন চলাকালীন সাইডলাইনে ভূমি অবক্ষয়, খরা, জলবায়ু সহনশীলতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একাধিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট মোকাবিলায় এসব বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্মেলন চলাকালে ২৪ আগস্ট ভারতের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী এইচ. ই. মি. ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের পরিবেশগত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা করা হয়।
এরপর গত মঙ্গলবার মঙ্গোলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি জলবায়ু ও পরিবেশগত নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় গত বুধবার মঙ্গোলিয়ার পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী এইচ. ই. বাটসেতসেগ বাতমুনখের সঙ্গে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে দুই দেশের পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এইচ. ই. মি. সানদাগ-ওচির সেন্ড।
এদিকে ২৬ আগস্ট আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) উপ-মহাপরিচালক উগোচি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জলবায়ু অভিবাসন এবং পরিবেশগত কারণে স্থানচ্যুত মানুষদের সুরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা করা হয়।
এসব দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সুনির্দিষ্ট বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূমি অবক্ষয়ের মতো আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করা জরুরি। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সফল উদ্যোগ থেকেও বাংলাদেশ শিখতে আগ্রহী।
সম্মেলনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে অংশ নেওয়া পক্ষগুলো জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পরিবেশগত কূটনীতি আরও সুসংহত হয়েছে বলে আশা করা হচ্ছে।








