এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হবে
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও মূল্যায়নের ফল আগামী বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হবে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে এই প্রক্রিয়ায়।
প্রকাশ: · আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৭:১৬· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের এস এস সি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পুন:নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল আগামী বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হবে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং আন্ত:শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রকাশিতব্য এই ফলাফল দেশের শিক্ষাঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর খাতা পুনরায় যাচাই করা হয়েছে।
চলতি বছর অনুষ্ঠিত এস এস সি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার নেমে এসেছে ৬৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে। অন্যদিকে, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলের পর অসন্তুষ্ট বা আশানুরূপ ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীরা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিল।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি আবেদন করেছে। সার্বিকভাবে ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে এই পুনর্নিরীক্ষণের জন্য। এর মধ্যে লিখিত তথা তত্ত্বীয় পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, লিখিত পরীক্ষার জন্য ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি আবেদন জমা পড়েছে।
বিভিন্ন বোর্ডের পরিসংখ্যান বিশ্লেෂণে দেখা যায়, শুধু ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্যই আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি। এর মধ্যে শুধু ঢাকা বোর্ডের চিত্রটি বেশ বড়। ঢাকা বোর্ডের ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী কেবল লিখিত পরীক্ষার জন্যই ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ৫৮ হাজার ১২টি আবেদন দাখিল করেছিল। এই বিপুল পরিমাণ আবেদন প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল প্রস্তুত করেছে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ফল প্রকাশের জন্য ইতিমধ্যে তিনটি পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট, এসএমএস, এবং নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল জানতে পারবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় বহু শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাদের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান স্তরে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে।
উল্লেখ্য, এই পুরো ফলাফল প্রকাশ ও পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ার সাথে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম যেমন প্রথম আলো সহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড যেমন ঢাকা বোর্ড, কুমিল্লা বোর্ড, রাজশাহী বোর্ড, যশোর বোর্ড, চট্টগ্রাম বোর্ড, বরিশাল বোর্ড, সিলেট বোর্ড, দিনাজপুর বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যেমন সৈয়দ আখতারুজ্জামান এবং মনজুরুল কবীর যুক্ত রয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই ফলের দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে দেশজুড়ে থাকা লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক।








