এফবিসিসিআই প্রশাসকের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ঢাকায় এফবিসিসিআই প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৬ আগস্ট ঢাকার এই বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এ সময় বৈঠকে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে প্রায় ৬৯৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। অপরদিকে, একই সময়ে চীন থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে প্রায় ১৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। অর্থাৎ, চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানি ছিল দেশটিতে রপ্তানির তুলনায় প্রায় ২৬ গুণ বেশি।
বাণিজ্য ঘাটতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রসঙ্গে এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, "বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো বাড়াতে হলে দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয় প্রয়োজন। এ জন্য এফবিসিসিআই, চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা দরকার।"
বৈঠকে উভয় পক্ষই অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমেই এই বাণিজ্য সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর তাগিদ দেওয়া হয়।
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস আন্তরিকভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।" এ সময় তিনি বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বেশ কিছু সম্ভাবনাময় খাতের কথাও তুলে ধরেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বাণিজ্য আলোচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।








