এআই ছবির ট্রেন্ডে বাড়ছে ব্যক্তিগত ডেটা ফাঁসের ঝুঁকি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রেট্রো বা ভিন্টেজ স্টাইলের এআই ছবি তৈরির ট্রেন্ড ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে এই ট্রেন্ডে ছবি আপলোড করার কারণে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ডেটা ও বায়োমেট্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে নিজেদের ছবিকে রেট্রো বা ভিন্টেজ স্টাইলে রূপান্তর করার ট্রেন্ড বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন স্তরের ব্যবহারকারীরা এই ধরনের আকর্ষণীয় ছবি তৈরি করতে নানা ধরনের এআই অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ ব্যবহার করছেন এবং তা অনলাইনে শেয়ার করছেন।
তবে এই জনপ্রিয় ট্রেন্ডের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে বড় ধরনের গোপনীয়তা বা প্রাইভেসির ঝুঁকি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে ছবি আপলোড করার ফলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত নানা তথ্য খুব সহজেই অন্যপক্ষের হাতে চলে যেতে পারে।
এআই অ্যাপে ছবি আপলোড করার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ডেটার মধ্যে প্রধানত প্রকাশ পেয়ে যায় মুখের অবয়ব বা ফেসিয়াল ফিচার্স। এর পাশাপাশি ছবির পেছনের দৃশ্য বা ব্যাকগ্রাউন্ড ডিটেইলসও চলে যায়।
ব্যক্তিগত তথ্যের এই ঝুঁকির পরিধি কেবল মুখের গঠনেই সীমাবদ্ধ থাকে না। ছবি আপলোড করলে ব্যবহারকারীর ডিভাইস সম্পর্কিত তথ্য বা ডিভাইস ইনফরমেশন এবং ইন্টারনেট প্রটোকল বা আইপি অ্যাড্রেসও উন্মুক্ত হয়ে যেতে পারে।
বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন টিপু সুলতান, যিনি সহকারি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
টিপু সুলতান উল্লেখ করেছেন যে, বায়োমেট্রিক ডেটা এবং মুখের গঠন অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। পাসওয়ার্ড বা ব্যাংক কার্ডের মতো চাইলেই এগুলো সহজে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই এআই ট্রেন্ডে অসচেতনভাবে ছবি আপলোড করার মাধ্যমে এই সংবেদনশীল তথ্যগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ছে।








