সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ারে সাইবার ঝুঁকির সতর্কতা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার মারাত্মক ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অনলাইনে পরিচয় চুরি, জালিয়াতি ও হেনস্তার মতো অপরাধ রোধে কিছু নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সাধারণ পোস্টের মাধ্যমেও একজন ব্যক্তির পরিচয়, সম্পর্ক, দৈনিক চলাচল এবং অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করতে পারে সাইবার অপরাধীরা। কুইক হিল টেকনোলজিস এবং মাল্টারবিট-এর মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হরিশ কুমার ও বরুণ গ্রোভারের মতো বিশেষজ্ঞরা সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে এই গুরুতর ঝুঁকির বিষয়ে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারকারীদের শেয়ার করা এই ব্যক্তিগত তথ্যগুলো অত্যন্ত সহজে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রমে ব্যবহার করা সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে জালিয়াতি, পরিচয় চুরি, ফিশিং এবং নানা ধরনের অনলাইন হেনস্থা। সামান্য অসচেতনতার কারণে ব্যবহারকারীরা বড় ধরনের সাইবার হামলার মুখে পড়তে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এই ধরনের অনভিপ্রেত ঝুঁকি এড়াতে এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সাইবার নিরাপত্তাবিশেষজ্ঞরা জোরালোভাবে বলেছেন, ‘পোস্ট করার আগে ভাবুন’। অর্থাৎ যেকোনো কিছু অনলাইনে প্রকাশের পূর্বে তার সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কখনোই মুঠোফোন নম্বর, ব্যক্তিগত ইমেইল ঠিকানা এবং বাড়ির ঠিকানা প্রকাশ করা উচিত নয়। এছাড়া কর্মস্থলের তথ্য কিংবা নিজের বর্তমান লাইভ লোকেশন অনলাইনে শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।
নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে ভ্রমণের পরিকল্পনা এবং বোর্ডিং পাস সামাজিক মাধ্যমে আপলোড না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আইডি কার্ডের ছবি বা তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।








