উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে নতুন গবেষণা
বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ জনস্বাস্থ্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং অসংক্রামক রোগের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে নতুন গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ জনস্বাস্থ্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং অসংক্রামক রোগের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের জনজীবন ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা নানা ধরনের জটিল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
বিশেষ করে দক্ষিণ খুলনা, রামপাল এবং মোংলাসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় এই সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। এসব অঞ্চলের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও লবণাক্ততার নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছেন।
এই সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে ‘দ্য জার্নাল অব ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড হেলথ’ নামক আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশকে ‘কমিউনিটি প্ল্যানেটারি হেলথ’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় উপকূলীয় অঞ্চলের জনস্বাস্থ্যের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবন্ধিতার হার এবং আনুষঙ্গিক স্বাস্থ্যগত চিত্র উঠে এসেছে। সরকারি ওই তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সামগ্রিকভাবে ১.৪৩ শতাংশ মানুষের অন্তত একটি প্রতিবন্ধিতা রয়েছে।
অন্যদিকে, উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত খুলনা বিভাগে প্রতিবন্ধিতার এই হার আরও কিছুটা বেশি। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য অনুযায়ী খুলনা বিভাগে প্রতিবন্ধিতার হার ১.৭৭ শতাংশ।
লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত এই স্বাস্থ্যগত সংকট মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং গবেষক রেজা সেলিমসহ সংশ্লিষ্টরা নানা ধরনের বৈজ্ঞানিক ও জনস্বাস্থ্যভিত্তিক পদক্ষেপের ওপর জোর দিচ্ছেন। উপকূলীয় মানুষের সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।








