ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক: ৪ ভারতীয় কোম্পানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক এবং জ্বালানি তেল ক্রয়ের অভিযোগে ৪ ভারতীয় কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত কাল সোমবার এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক এবং জ্বালানি তেল ক্রয়ের অভিযোগে ৪ ভারতীয় কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত কাল সোমবার এই সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন। আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া কোম্পানিগুলো হলো পোর্টিস পার্টনার এলএলপি, সদাশিব ওভারসিজ লিমিটেড, পিআর সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড এবং প্রাক্রুতিস ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এই চার ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং জ্বালানি তেল ক্রয়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেই সময় তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানান এবং ইরানের সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট খাতের ওপর চাপ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
সেদিন ট্রাম্প তার বক্তব্যে বলেছিলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে তিনি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা, এত ছাড় দেয়নি। এটা তাদের জন্য দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে আজ তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছেন। এ অভিযান এতটা বিধ্বংসী হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন অভিযান হয়নি। এটা হবে একটি অর্থনৈতিক যুদ্ধ এবং এর জেরে ইরান আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে অভূতপূর্ব মাত্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেছিলেন, তিনি আরও ঘোষণা করছেন যে অভিযান চলাকালে কোনো দেশ যদি তার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমানবন্দর অথবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানকে কোনো প্রকার সহযোগিতা প্রদান করে, সেক্ষেত্রে সেই দেশকেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে।
তেল চোরাচালান ও অবৈধ লেনদেন বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন, ভুয়া কোম্পানি - এই সবকিছু এখন থেকে বন্ধ হতে হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের ধারাবাহিকতাতেই এবার ভারতের চারটি কোম্পানির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।








