ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৪০
১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু ভবন ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। আকস্মিক এই ভূকম্পনের ফলে পুরো এলাকায় মারাত্মক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে ছুটে যান।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৭। অত্যন্ত শক্তিশালী এই ভূকম্পনটি ইন্দোনেশিয়ার জনজীবন ও অবকাঠামোতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
এএফপি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ফ্লোরেস দ্বীপের এন্দে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে উৎপত্তিস্থল ও তার আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।
ইউএসজিএস জানিয়েছে যে এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। কম গভীরতার কারণে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ভূপৃষ্ঠে অনেক বেশি অনুভূত হয় এবং এর ফলে ধ্বংসলীলাও বৃদ্ধি পায়।
এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপের বিভিন্ন এলাকার বেশ কিছু ভবন ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক কাঁচা ও পাকা স্থাপনা মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়ে এবং বহু ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
ভূমিকম্প ও এর পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হতাহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে কারণ উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের পর ইন্দোনেশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান এবং ধসে পড়া অবকাঠামোর নিচ থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।








