ইউরোপের তিন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হলো ৪০ বাংলাদেশিকে
বৈধ নথি না থাকায় সাইপ্রাস, গ্রিস ও বুলগেরিয়া থেকে ৪০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বৈধ কোনো কাগজপত্র বা নথি না থাকায় ইউরোপের তিনটি দেশ থেকে ৪০ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ইউরোপের দেশগুলো থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি সকাল পৌনে ৮টার দিকে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর পর প্রয়োজনীয় অভিবাসন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
অনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর ফেরত আসা এই ব্যক্তিরা বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিমানবন্দর এলাকা ত্যাগ করেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ৪০ জনের মধ্যে ২৪ জন সাইপ্রাস থেকে, ১৫ জন গ্রিস থেকে এবং ১ জন বুলগেরিয়া দেশ থেকে ফিরেছেন।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের শরিফুল হাসান এই বিষয়ে জানান, প্রাথমিক কথাবার্তায় তারা জানতে পেরেছেন যে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে ইউরোপে থাকার জন্য কোনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা বৈধ নথি ছিল না। এই সুনির্দিষ্ট কারণেই তাদের সেখান থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে তাদের সহায়তা দেওয়া হয়। শরিফুল হাসান এ প্রসঙ্গে বলেন, ফেরত আসা প্রত্যেককে ২৯ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে এবং নিজেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
ইউরোপ থেকে ফেরত আসা এই ৪০ ব্যক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। শরিফুল হাসান উল্লেখ করেন, ইউরোপ থেকে ফিরে আসা ওই ৪০ ব্যক্তির দীর্ঘ মেয়াদে পুনর্বাসনে সহায়তার জন্য তাদের কাউন্সেলিং, পেশাগত প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য, অবৈধ অভিবাসন ও প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক মহলের দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়া রয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০১৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরে বা এসওপিতে সই করেছিল। এর আগে গত ২১ মে আরেকটি বিশেষ ফ্লাইটে আরও ২৭ বাংলাদেশিকে একইভাবে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।








