আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৫ সালে দুই বিএনপি নেতাকে হত্যা
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়ায় বিএনপির দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে জবানবন্দি দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ ২০১৫ সালে সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জবানবন্দি প্রদান করা হয়েছে। ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশে এই জবানবন্দি নেওয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়ায় বিএনপির দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই মামলাটিতে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার ঘটনায় ইতোমধ্যেই আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আসামিদের মধ্যে মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেফতার হয়েছেন।
নিহত বিএনপি নেতাদের পরিবারের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি প্রদান করেন আশিকুর রহমান আছিফ। তিনি আদালতে তার জবানবন্দিতে তৎকালীন বিভীষিকাময় পরিস্থিতির বর্ণনা তুলে ধরেন। তার দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই নেতার পরিচয় ও ঘটনার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।
আশিকুর রহমান আছিফ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়ার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি আদালতকে জানান যে, "বাবাকে বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করা হয়" বলে তাকে জানানো হয়েছিল এবং সেসময়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
উক্ত মামলার ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা হলেন কবির হোসেন রনি (যিনি কবির মোল্লা নামেও পরিচিত) এবং টিপু হাওলাদার। তারা দুজনই রাজনৈতিকভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তাদের দলীয় অঙ্গসংগঠন ও কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
এই বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের নাম জবানবন্দি ও নথিপত্রে উঠে এসেছে। মামলার কার্যক্রমে আশিকুর রহমান আছিফ ছাড়াও এহসানউল্লাহসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জড়িত রয়েছেন। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নামও এই বিচার প্রক্রিয়ায় আলোচিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারকাজ চলমান রয়েছে। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে সংঘটিত এই বিচারবহির্ভূত হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও জবানবন্দি গ্রহণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।








