আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ
আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং এই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অন্যদিকে, গত ১ জুন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকায় সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন ও প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও বিভিন্ন পরিবর্তন আসছে। বর্তমান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসংখ্যা বর্তমানে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে এবং বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব সঠিকভাবে বণ্টন করতে এই মন্ত্রিসভা কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে, গত ১ জুন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তার পদত্যাগের পর পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে।
মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণ ও পরিবর্তন নিয়ে বিভিন্ন নেতার নাম আলোচনায় আসছে। এই তালিকায় রয়েছেন সা চিং প্রু জেরী, শামীম কায়সার লিংকন, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, তারেক রহমান এবং জহির উদ্দিন স্বপন। তবে এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা এখনো আসেনি।
আলোচিত ব্যক্তিদের মধ্যে শামীম কায়সার লিংকন এর আগে গাইবান্ধা-৪ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে ১,৪২,৭৭২ ভোট পেয়েছিলেন। তার রাজনৈতিক কার্যক্রম ও জনপ্রিয়তা নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।
অন্যদিকে, মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ অন্তর্ভুক্তি বা সম্ভাব্য পদায়ন নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা গেলেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে সা চিং প্রু জেরী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, "এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।"
আগামী ২০ আগস্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য রাজনৈতিক সমীকরণ দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এখন নির্ধারিত তারিখ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপগুলোর দিকে নজর রাখছে।








