আখাউড়ায় খড়মপুর মাজারে ওরশে শর্টসার্কিটের আতঙ্ক, আহত ৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় খড়মপুর কেল্লা শহীদ (রহ.) মাজারে ওরশ চলাকালে মসজিদের ভেতরে শর্টসার্কিটের ঘটনা ঘটে। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে দৌড়াদৌড়ি ও গ্লাস ভেঙে অন্তত ৮ জন মাজারভক্ত আহত হয়েছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অবস্থিত খড়মপুর কেল্লা শহীদ (রহ.) মাজারে ওরশ মোবারক চলাকালে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ধর্মীয় এই উৎসব ও ওরশ চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করেই মাজারের মসজিদের ভেতরে শর্টসার্কিটের ঘটনা ঘটে। এই আকস্মিক ঘটনার ফলে মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শর্টসার্কিটের পর পরই মাজারভক্তরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দিকবেদিক ছুটাছুটি শুরু করেন। এই হুড়োহুড়ি ও দৌড়াদৌড়ির একপর্যায়ে মাজারের গ্লাস ভেঙে যায়। কাচ ভাঙার এই ঘটনায় অন্তত ৮ জন মাজারভক্ত আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন ৫০ বছর বয়সী হিরণ মিয়া, ৫৫ বছর বয়সী মো. ফরিদ গাজী, ৬২ বছর বয়সী নুরুল ইসলাম এবং ৬৫ বছর বয়সী মো. মঈন উদ্দিন। এছাড়া আহতদের তালিকায় আরও রয়েছেন ৪৮ বছর বয়সী মো. তারু মিয়া, ৪৫ বছর বয়সী মো. ইজু মিয়া, ৬৫ বছর বয়সী জসিম মিয়া এবং ৬০ বছর বয়সী মিন্টু মিয়া।
ঘটনার পরপরই আহতদের দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। তাদের প্রথমে মাজারে অবস্থানরত অস্থায়ী মেডিকেল টিমের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের পরবর্তী উন্নত চিকিৎসার জন্য আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
এই বিষয়ে জাগো নিউজ-এর সাথে কথা বলেছেন জাবেদ উল ইসলাম। তিনি জানান, শর্টসার্কিটের ঘটনায় মাজারভক্তরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং এ সময় গ্লাস ভেঙে ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের তদারকিতে মাজারে ওরশ উদযাপিত হচ্ছিল। তবে শর্টসার্কিটের এই বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। আখাউড়া থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।








