আইনজীবী বা আইটিপি হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার নির্দেশিকা
বাংলাদেশে ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার (আইটিপি) বা আয়কর আইনজীবী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই সনদ অর্জন করতে হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার (আইটিপি) বা আয়কর আইনজীবী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। যেকোনো আগ্রহী ব্যক্তি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই পেশায় প্রবেশ করতে পারেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীনে আয়কর আইনজীবী বা ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার নিবন্ধন পরীক্ষা মূলত লিখিত ও মৌখিক এই দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রার্থীদের এই ধাপগুলো সফলভাবে পার হয়ে সনদ অর্জন করতে হয়।
নিবন্ধন পরীক্ষার প্রথম ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষা। এই লিখিত পরীক্ষার মোট নম্বর হলো ৮০। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর হলো ৪০। প্রার্থীদের এই লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য ৩ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ থাকে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। মৌখিক পরীক্ষার মোট নম্বর হলো ২০। আর এই মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর হলো ১০।
পেশাজীবনে নতুনদের জন্য আর্থিক সুরক্ষার বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নতুনদের জুনিয়র হিসেবে মাসিক সম্মানী ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
অন্যদিকে, করপোরেট উকিলদের মাসিক সম্মানী সাধারণত ২১,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যা এই পেশায় যুক্ত পেশাজীবীদের আর্থিক ভিত্তिलाई আরও শক্তিশালী করে তোলে।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিবন্ধিত আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট কিংবা কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করদাতার প্রতিনিধি বা আয়কর আইনজীবী হিসেবে কাজ করার আইনগত যোগ্যতা অর্জন করেন।








