আইএমএফের বন্ড পরামর্শ ও বলিউডে পেইড ট্রোলের বিস্তার
বাংলাদেশ সরকারের বন্ড ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সুপারিশ এবং বলিউডে প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের পরিচালিত পেইড ট্রোল ও স্মিয়ার ক্যাম্পেইনের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, প্রথম আলো ও বাংলানিউজ সূত্রে এসব বিষয় জানা যায়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ সরকারের সরকারি বন্ড ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় মুদ্রা বন্ড বাজারের উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক একটি কারিগরি সহায়তা প্রতিবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। ‘লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট অপারেশনস: ডেভেলপমেন্ট অব লোকাল কারেন্সি বন্ড মার্কেট’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে দেশের বন্ড বাজার নিয়ে বিভিন্ন সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার বা ৫৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বন্ডের মেয়াদ শেষ হবে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের ২৩৭টি বন্ড চালু ছিল। প্রতিটি বন্ডের গড় আকার ছিল প্রায় ১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা এবং বড় বেঞ্চমার্ক বন্ডের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজার কোটি টাকা।
বন্ড বাজারের লেনদেন চিত্রের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, ২০২৪ অর্থবছরে সরকারি বন্ডের সরাসরি লেনদেন হয়েছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ২০২২ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের এসব সুপারিশ ও বন্ডের পুনঃক্রয় প্রসঙ্গে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ‘দেখতে হবে, আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের এসব পরামর্শকে সরকার কীভাবে নিচ্ছে। সরকার রাজি না হলে তো পরামর্শ কাগজেই পড়ে থাকবে। কত টাকার বন্ডের পুনঃক্রয় লাগবে, আর এ জন্য সংস্থা দুটি কোনো অর্থায়ন করবে কি না, তা-ও আলোচনাযোগ্য। কারণ, পুনঃক্রয় করতেও টাকা লাগবে।’
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিনোদন দুনিয়া তথা বলিউডে তারকাদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক অনলাইন ট্রোলিং এবং প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরগুলোর পরিচালিত সমন্বিত পেইড ক্যাম্পেইনের বিষয়টি নিয়ে তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এই সংঘবদ্ধ প্রচারণায় বহু তারকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বলিউডের এই পেইড ট্রোল ও স্মিয়ার ক্যাম্পেইনে যেসব তারকার নাম বা সংশ্লিষ্টতা আলোচিত হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন কার্তিক আরিয়ান, রিধিমা কাপুর, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, শিব রাওয়াইল, দীপিকা পাড়ুকোন, নিধি দত্ত, বরুণ ধাওয়ান, রণবীর সিং, অংশুমান ঝা এবং অরিন্দম রায়। এ ছাড়া এই পুরো প্রক্রিয়ায় জসোল্ট বাঙ্গো ও জাহিদ হোসেনের মতো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও আলোচনায় রয়েছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে সোশ্যাল মিডিয়া ট্রোলের আর্থিক খরচের চাঞ্চল্যকর তথ্যও উঠে এসেছে। ১ হাজার পোস্ট করানোর খরচ হতে পারে প্রায় ১ লাখ রুপি। আর বড় ও দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্মিয়ার ক্যাম্পেইনের জন্য খরচ ৫০ লাখ রুপিরও বেশি হতে পারে। এমনকি ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এমন প্রশ্নও ছড়ানো হয় যে, ‘কার্তিক আরিয়ান কি অপ্রাপ্তবয়স্ক এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন?’—যা একটি পক্ষের তৈরি করা বলে জানা যায়।








