অ্যাকটোপিক প্রেগনেন্সি ও এর ঝুঁকি
জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ চলে যাওয়ার ঘটনাকে অ্যাকটোপিক প্রেগনেন্সি বলা হয়। প্রায় ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে এই গর্ভধারণ ফেলোপিয়ান টিউব বা ডিম্বনালিতে হয়ে থাকে। সময়মতো শনাক্ত না হলে এটি মায়ের জীবনের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী, জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ চলে যাওয়ার ঘটনাকে জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ বা অ্যাকটোপিক প্রেগনেন্সি বলা হয়ে থাকে। স্বাভাবিক নিয়মে জরায়ুর ভেতরে ভ্রূণ বেড়ে ওঠার কথা থাকলেও, এই বিশেষ পরিস্থিতিতে তা জরায়ুর বাইরে ভিন্ন স্থানে প্রতিস্থাপিত হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অ্যাকটোপিক প্রেগনেন্সি ফেলোপিয়ান টিউব বা ডিম্বনালিতে হয়ে থাকে। ডিম্বনালিতে এই ধরনের গর্ভধারণের ফলে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা ও মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হতে পারে।
এই জটিল শারীরিক অবস্থার সুনির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ রয়েছে। অ্যাকটোপিক প্রেগনেন্সির লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তলপেটের এক পাশে তীব্র ব্যথা, অনিয়মিত অল্প অল্প রক্তপাত, মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা ইত্যাদি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে অত্যন্ত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কারণ সময়মতো এই জটিলতা শনাক্ত করা না গেলে বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা থাকে।
তথ্য অনুযায়ী, সময়মতো অ্যাকটোপিক প্রেগনেন্সি শনাক্ত না হলে ফেলোপিয়ান টিউব ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে পেটের ভেতরে মারাত্মক রক্তক্ষরণ হয়ে মায়ের জীবনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
তাই নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই বিষয়ে সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি বলে বিবেচিত হয়। লক্ষণ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।








