অপচিকিৎসা ও অননুমোদিত সাপ্লিমেন্ট রোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিটি
দেশে অপচিকিৎসা এবং অননুমোদিত সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের প্রবণতা রোধ করতে একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দেশে চলমান অপচিকিৎসা এবং অননুমোদিত সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের মতো মারাত্মক ও ক্ষতিকর প্রবণতা কঠোরভাবে রোধ করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অফিসিয়াল সূত্রে জানা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে অপচিকিৎসার প্রসার এবং অনুমোদনহীন বিভিন্ন সাপ্লিমেন্টের অবাধ ব্যবহার জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। এই অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রমগুলো কঠোর হাতে দমন করার লক্ষ্যেই মূলত এই নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াটি গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়। ওই দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা: মো. নূরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি বিশেষ অফিস আদেশে এই কমিটি গঠন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অপচিকিৎসা ও অননুমোদিত সাপ্লিমেন্টের অপব্যবহারের পেছনে কারা জড়িত এবং কীভাবে এগুলো ছড়াচ্ছে, তা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় গঠিত এই দলটি সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
গঠিত এই তদন্ত কমিটি মোট ছয় সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখতে এই ছয় সদস্যের কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করবে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে তাদের অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যখাতের নানা অনিয়ম ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এই বিষয়গুলো নিয়ে অধিদপ্তর এখন বেশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই তদন্ত কমিটির কার্যক্রমের মাধ্যমে অপচিকিৎসা ও অবৈধ সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের দৌরাত্ম্য অনেকাংশে কমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








