৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার, বছরে ব্যয় ২৮৮ কোটি টাকা
সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় জনবল সংকট কমাতে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ৪৭০০ সহকারী সার্জন/মেডিকেল অফিসার ও ৩০০ সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেওয়া হবে।
ঢাকাপ্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় জনবল সংকট কমাতে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০০ জনকে সহকারী সার্জন বা মেডিকেল অফিসার এবং আরও ৩০০ জনকে সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন ও ভাতা বাবদ সরকারের বছরে প্রায় ২৮৮ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
কোন পদে কতজন নিয়োগ?
প্রস্তাবিত ৫ হাজার পদের মধ্যে—
- ৪,৭০০ জন সহকারী সার্জন/মেডিকেল অফিসার
- ৩০০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন
নিয়োগ সম্পন্ন হলে সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক সংকট কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কেন নেওয়া হচ্ছে এই উদ্যোগ?
সরকারি হাসপাতালগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর্মীর শূন্যপদ রয়েছে। জনবল ঘাটতির কারণে অনেক সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে চিকিৎসকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়।
এই পরিস্থিতিতে শূন্য পদ পূরণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যেই নতুন চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণাতেও সরকার ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক এবং আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে
চিকিৎসকদের পাশাপাশি দেশজুড়ে আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের প্রায় ৮০ শতাংশ পদ নারীদের মাধ্যমে পূরণের পরিকল্পনার কথাও বাজেট বক্তব্যে জানানো হয়েছিল।
স্বাস্থ্য খাতে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন ধরনের প্রশিক্ষণ চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
বদল আসছে চিকিৎসা শিক্ষায়
চিকিৎসকদের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাব্যবস্থাতেও পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। আধুনিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষা, সমন্বিত মডিউলার পদ্ধতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহারকে নতুন এমবিবিএস কারিকুলামে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে একদিকে সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক সংকট কমবে, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।







