হারিয়ে যাওয়া নামজারি খতিয়ান পুনঃসৃজনের নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া নামজারি খতিয়ান পুনঃসৃজন এবং অটোমেটেড সিস্টেমে এন্ট্রি করার নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা ও সার্কেল ভূমি অফিস থেকে হারিয়ে যাওয়া বা খুঁজে না পাওয়া নামজারি খতিয়ান পুনঃসৃজন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব খতিয়ান অটোমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেমে এন্ট্রি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি এই বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরমেন্স অনুবিভাগ থেকে এই পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এই অনুবিভাগ থেকে সরকারি এই নির্দেশনার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। পরিপত্রে ভূমি সেবা ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা এবং সার্কেল ভূমি অফিসগুলোতে যেসব নামজারি খতিয়ান বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, সেগুলোর তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। এরপর যথাযথ প্রক্রing অনুসরণ করে এই খতিয়ানগুলো পুনঃসৃজন বা পুনরায় তৈরি করতে হবে।
পুনঃসৃজনকৃত এই নামজারি খতিয়ানগুলো কেবল কাগজপত্রে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। এগুলোকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিজিটাল বা অটোমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেমে সফলভাবে এন্ট্রি করতে হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং ভূমি সংক্রান্ত তথ্যের ডিজিটাল সংরক্ষণ নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এই খতিয়ান পুনঃসৃজনের কাজটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পরিপত্র জারির তারিখ থেকে ঠিক দুই মাসের মধ্যে একটি বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হিসেবে এই খতিয়ান পুনঃসৃজনের সমস্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশের সাধারণ মানুষ যাতে সহজে এবং দ্রুত আধুনিক ডিজিটাল ভূমিসেবা পেতে পারে, সেই লক্ষ্যেই ভূমি মন্ত্রণালয় ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে। হারিয়ে যাওয়া খতিয়ান পুনঃসৃজন এবং অটোমেটেড সিস্টেমে তা যুক্ত করার এই সর্বশেষ পরিপত্রটি সেই কার্যক্রমেরই একটি অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।








