হাম ও রুবেলা টিকাদান জোরদারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সভা
দেশের বাদ পড়া ছোট ছোট এলাকায় ভালোভাবে হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তসংস্থা সমন্বয় কমিটির (আইসিসি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

দেশের বাদ পড়া ছোট ছোট এলাকায় ভালোভাবে হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হাম ও রুবেলা টিকাদান এবং রোগ ব্যবস্থাপনা জোরদার সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আন্তসংস্থা সমন্বয় কমিটির (আইসিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গুরুত্বপূর্ণ এই সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। সভায় টিকাদান কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাদ পড়া এলাকার শিশুদের টিকার আওতায় আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশে ১৬ লাখ হামের টিকা মজুত রয়েছে। এই মজুত টিকা যথাযথভাবে বিতরণের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রমের লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।
সভায় রোগ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে জানানো হয়, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ১০ শতাংশের বয়স ছয় মাসের কম। এছাড়া ৭৪ শতাংশ রোগীর বয়স ৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের মধ্যে।
রোগের বিস্তার বিশ্লেषণে আরও দেখা গেছে, ৫ বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুর হার ১৪ শতাংশ। আর বাকি ২ শতাংশের বয়স ১০ থেকে ১৪ বছর বা তার বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এই টিকাদান ও রোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী মোট ১ কোটি ৯৩ লাখ ৬৩ হাজার ৯১২ শিশুকে হামের এক ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই আন্তসংস্থা সমন্বয় কমিটির সভার তথ্য এবং বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।








