হাজি আহমদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা বিএসইসির
গ্রাহকদের সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে (সিসিএ) বড় ধরনের তহবিল ঘাটতি এবং সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে হাজি আহমদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একইসঙ্গে ৩০ দিনের মধ্যে এই জরিমানার অর্থ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সম্প্রতি এক নির্দেশনায় হাজি আহমদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। গ্রাহকদের সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে বা সিসিএ-তে বড় ধরনের তহবিল ঘাটতি রাখা এবং সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইর করা একটি পরিদর্শনের ওপর ভিত্তি করে এই অনিয়মের বিষয়টি সামনে আসে। ডিএসইর ওই পরিদর্শন অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৩ জুনের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজটির সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে বা সিসিএ হিসাবে ২ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ৬৮২ টাকার একটি বড় অঙ্কের ঘাটতি ছিল।
তহবিল ঘাটতির এই বিষয়টি শুধু ২০২২ সালের ১৩ জুন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল না। পরবর্তীতেও প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক কার্যক্রমে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের একাধিক তারিখেও হাজি আহমদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ওই নির্দিষ্ট হিসাবটিতে ঋণাত্মক ব্যালান্স বা তহবিল ঘাটতি বজায় ছিল।
তদন্তে আরও দেখা গেছে যে, সিটি ব্যাংকে পরিচালিত এই ব্রোকারেজ হাউজটির সমন্বিত গ্রাহক হিসাব থেকে নিয়মের তোয়াক্কা না করে সরাসরি নগদ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী গ্রাহকদের সমন্বিত গ্রাহক হিসাব থেকে এ ধরনের সরাসরি নগদ উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও নিয়মের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
এদিকে অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি হওয়া ওই ঘাটতির একটি অংশ পরবর্তীতে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জানা গেছে, ৩০ লাখ টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে হিসাবের ঘাটতির একটি অংশ নিয়মিত বা সমন্বয় করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ঘাটতির তুলনায় অপ্রতুল।
সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিএসইসি হাজি আহমদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। একইসঙ্গে কমিশন থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই জরিমানার নির্ধারিত অর্থ জমা দেওয়ার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।








