ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিএসইসির তদন্ত শুরু
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ, আর্থিক লেনদেন, স্বার্থের সংঘাত ও নিয়ন্ত্রকীয় দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট একটি চিঠি পাঠিয়ে আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপে ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ, আর্থিক লেনদেন, স্বার্থের সংঘাত এবং নিয়ন্ত্রকীয় দায়িত্ব পালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই তদন্ত প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য বিএসইসির পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন—বিএসইসির পরিচালক এএসএম মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ শামসুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক মো. মতিউর রহমান। এই তিন কর্মকর্তা সার্বিক বিষয়টি তদন্ত করবেন।
তদন্তের অংশ হিসেবে গত ১৬ আগস্ট ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিএসইসির পক্ষ থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে ডিএসইর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র তলব করা হয়েছে।
চিঠিতে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে ডিএসই কর্তৃপক্ষকে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি কমিশনে জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব নথিপত্র জমা দিতে হবে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) উভয়ের জন্যই এই তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, আর্থিক বিভিন্ন লেনদেন, স্বার্থের সংঘাতের বিষয় এবং তারা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রকীয় দায়িত্ব পালন করেছেন কি না, তা এই তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির এই পদক্ষেপে পুঁজিবাজারের সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে ডিএসই কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র জমা দেওয়ার পর তদন্ত কমিটি তাদের পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করবে।








