স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নেতাকর্মীরা। এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বেকারত্ব ও বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কঠোর সমালোচনা করেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বুধবার জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাকা উদ্যাপিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে হাবিব উন নবী খান সোহেল, মীর সরাফত আলী সপু, আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, এস এম জিলানী, রাজিব আহসান, ইয়াসিন আলী, নাজমুল হাসান, শেখ ফরিদ এবং জহির উদ্দিন তুহিনসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুহুল কবির রিজভী বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিগত সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, শেখ হাসিনা বলেছিলেন ঘরে ঘরে চাকরি দেবেন। শেখ হাসিনার আমলে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি অবস্থায় রেখে গেছেন। কোথায় ঘরে ঘরে চাকরি? কোথায় বিনামূল্যে সার?
রুহুল কবির রিজভী তার বক্তব্যে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সংস্কৃতির রূপরেখা তুলে ধরে আরও বলেন, বিএনপির কালচার অঙ্গীকার রক্ষা করা। বিএনপির সংস্কৃতি হলো ওয়াদা রক্ষা করা। সেই কাজ এখন চলছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই দলের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরবর্তীতে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে রিজভী স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। বাংলাদেশ সমতার ভিত্তিতে সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায়। কিন্তু কোনো শর্ত দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। স্বাধীন দেশের মর্যাদায় অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শর্ত বা আধিপত্য মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি জোরালো মন্তব্য করেন।








