মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

সুন্দরগঞ্জে কীটনাশক প্রয়োগে ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট, অভিযোগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কীটনাশক প্রয়োগের পর ১৫ শতক জমির সব ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২ · ১ মিনিট পড়া

সুন্দরগঞ্জে কীটনাশক প্রয়োগে ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট, অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামে কীটনাশক প্রয়োগের পর ১৫ শতক জমির ধান নষ্ট হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৩ আগস্ট এই ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. কামরুজ্জামান স্থানীয় একটি কীটনাশকের দোকান থেকে ওষুধ কিনে নিজের জমিতে প্রয়োগ করেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে ভুল ওষুধ ব্যবহারের কারণে তার পুরো জমির ফসল এখন হুমকির মুখে পড়েছে এবং তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. কামরুজ্জামান জানান, তিনি মূলত নিজের ধানক্ষেতের আগাছা দমনের জন্য দোকানদারের কাছে ওষুধ চেয়েছিলে। পরে সংশ্লিষ্ট দোকানদারের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি ওষুধ কিনে তা জমিতে প্রয়োগ করেন। কিন্তু ওষুধ প্রয়োগের পরের দিন সকালেই তিনি দেখতে পান যে তার ক্ষেতের সমস্ত ধানের চারা মরে যাচ্ছে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমি ধানক্ষেতের আগাছা দমনের জন্য ওষুধ চেয়েছিলাম। দোকানদারের পরামর্শেই ওষুধ কিনে জমিতে দিয়েছি। পরদিন দেখি ধানের চারা মরে যাচ্ছে। এখন আমার ১৫ শতক জমির প্রায় সব ধানই নষ্ট হয়ে গেছে। এতে আমি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।'

এদিকে যে দোকান থেকে এই ওষুধ কেনা হয়েছিল, সেই কীটনাশক ব্যবসায়ী মো. মাহবুর মিয়া পুরো ঘটনার দায় কৃষকের ওপর চাপিয়েছেন। তিনি দাবি করেন যে তিনি ওষুধ দিতে কোনো ভুল করেননি। ব্যবসায়ী মাহবুর মিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, কৃষক কামরুজ্জামান তার কাছ থেকে মূলত বাড়ি কিংবা ফাঁকা জমির ঘাস মারার কথা বলে ওষুধ ক্রয় করেছিলেন। এই বিষয়ে ব্যবসায়ী বলেন, 'আমি ওষুধ দিতে ভুল করিনি। কারণ, সে আমার কাছ থেকে খাওনা বাড়ির (ফাঁকা জমির) ঘাস মারার কথা বলে ওষুধ নিয়েছিল।'

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা ও পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয় ব্যক্তি মো. এরশাদ মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত ধানক্ষেত পরিদর্শন করেছেন। সরেজমিন পরিদর্শনের সময় তিনি দেখতে পান যে সত্যিই ওই জমির সব ধানের চারা মারা গেছে। তিনি বলেন, 'বিষয়টি জানার পর আমি ধানক্ষেত পরিদর্শন করেছি। সেখানে সব ধানের চারা মারা গেছে। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেছি।'

ক্ষেতের ধান নষ্ট হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়ে ভুক্তভোগী কৃষক মো. কামরুজ্জামান ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরাবর এই লিখিত অভিযোগ জমা দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

এই পুরো ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কীটনাশক বিক্রির সময় সঠিক পরামর্শ প্রদান এবং কৃষকদের অসচেতনতা উভয় বিষয় নিয়েই এখন এলাকায় আলোচনা চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কামরুজ্জামান তার উৎপাদিত ফসল হারানোর বেদনা ও আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারি সহযোগিতা এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি ব্রেকিং
বাংলাদেশ

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি

সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অর্থ বিভাগ শনিবার ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে এই প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

১ মিনিট পড়া
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ
বাংলাদেশ

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ

নদীতে প্রবল স্রোত ও নাব্য সংকটের কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্তের ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ফেরি ভিড়তে না পারায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

১ মিনিট পড়া
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতির কড়া নির্দেশ
বাংলাদেশ

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতির কড়া নির্দেশ

রাজবাড়ীর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের যথাসময়ে উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নিয়ম না মানলে শোকজ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER