সিলেটের পুরনো কারাগারে হবে পার্ক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
সিলেট নগরীর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের জায়গা নান্দনিক পার্ক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণের জন্য সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ১৭ সেপ্টেম্বর এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পুরনো কারাগারের বন্দীদের বাদাঘাটে স্থানান্তর করা হবে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সিলেট নগরীর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের জায়গায় একটি নান্দনিক পার্ক এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর সিলেটে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি জানানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নগরবাসীর একটি বড় প্রত্যাশা এবার বাস্তবের পথে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে পুরনো কারাগারের পুরো জমিটি সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সরকারের এই পদক্ষেপে নগরীর মাঝখানে অবস্থিত ঐতিহাসিক এই জায়গার সঠিক ও জনবান্ধব ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্যোগের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। এই বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, 'নগরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। পুরনো কারাগারের জায়গায় নান্দনিক পার্ক হবে। এক পাশে হবে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।'
পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই পুরো জায়গার একপাশে সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য একটি নান্দনিক পার্ক গড়ে তোলা হবে। আর অন্যপাশে নির্মিত হবে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও বীরত্বগাথা সম্পর্কে জানতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, বর্তমানে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে যেসব বন্দি রয়েছেন, তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরনো কারাগারে থাকা সব বন্দীকে নিরাপদে বাদাঘাটে অবস্থিত নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হবে। বন্দীদের স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই নির্ধারিত জমিতে পার্ক ও জাদুঘর নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্রে এমন একটি জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের ফলে এলাকার পরিবেশ উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত বিনোদন ও ঐতিহাসিক স্মৃতির সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্টরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।








