সম্পর্ক কার্যকর হতে হলে পারস্পরিক স্বার্থের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে: জয়শঙ্কর
দিল্লিতে ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডারস ফোরামে বক্তব্য দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থ নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, যেকোনো সম্পর্ক কার্যকর হতে হলে তাকে পারস্পরিক স্বার্থের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। শনিবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডারস ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এস জয়শঙ্কর স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক কেবল একপক্ষীয় হতে পারে না। এই সম্পর্কটি তাদের দেশের জন্যও কল্যাণকর হতে হবে বলে তিনি জানান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো এবং ইত্তেফাক এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁর প্রতিবেশীরা কেবল ভারতের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে—এমন কোনো প্রত্যাশা তিনি করেন না। পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা ও বোঝাপড়ার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
নিজের বক্তৃতায় এস জয়শঙ্কর আরও বলেন, তিনি যেমন আশা করেন যে প্রতিবেশীরা ভারতের স্বার্থের বিষয়টি উপলব্ধি করবে ও সম্মান জানাবে, ঠিক তেমনি তাদের স্বার্থ বোঝার ও সম্মান জানানোর ক্ষেত্রেও নিজেদের দিক থেকে একটি যুক্তিযুক্ত ভারসাম্য থাকা আবশ্যক।
এই সম্মেলনে ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। জয়শঙ্করের এই বক্তব্য দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সমতার ওপর নতুন করে আলোকপাত করেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমান আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে এস জয়শঙ্করের এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের সমীকরণে পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়টি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা এই বক্তব্যে উঠে এসেছে।








