সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবোচরে ৯ ঘণ্টা আটকে রইল ফেরি কপোতাক্ষ
চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবোচরে আটকে পড়া ফেরি কপোতাক্ষ দীর্ঘ নয় ঘণ্টা পর নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছে। বুধবার সন্ধ্যার দিকে ছেড়ে যাওয়া এই ফেরিতে অসুস্থ রোগী ও অ্যাম্বুল্যান্সসহ প্রায় আড়াইশ যাত্রী ছিলেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ চ্যানেলে বুধবার এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার সাক্ষী হলেন নদী পারাপারের যাত্রীরা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন 'ফেরি কপোতাক্ষ' মাঝনদীতে ডুবোচরে আটকে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিপাকে পড়ে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সন্দ্বীপ থেকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়ার উদ্দেশে ফেরিটি ছেড়ে যায়। ঘাট ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ চ্যানেলের একটি ডুবোচরে আটকে পড়ে।
এ সময় ফেরিটিতে যাত্রী সাধারণের পাশাপাশি অত্যন্ত জরুরি কিছু যানবাহন ও সেবা ছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই ফেরিটিতে একটি অসুস্থ রোগীসহ অ্যাম্বুল্যান্স এবং সব মিলিয়ে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী আটকা পড়েছিলেন।
হঠাৎ মাঝনদীতে ফেরি আটকে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও তার সঙ্গে থাকা স্বজনদের জন্য সময়টি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও কষ্টদায়ক।
নৌপরিবহন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মূলত প্রাকৃতিক কারণ এবং নদীর ভৌগোলিক অবস্থার কারণেই এই দীর্ঘ বিপত্তি ঘটে। ভাটার কারণে পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় ফেরিটি আর সামনে এগোতে পারেনি।
পানিতে পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় এবং ডুবোচরে আটকে যাওয়ায় ফেরিটি তার পথ চলতে ব্যর্থ হয়। ফলে বাধ্য হয়েই যাত্রীদের মাঝনদীতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।
অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে গভীর রাতে। পানির অবস্থা অনুকূলে আসার পর এবং সার্বिक পরিস্থিতি মোকাবিলা করে ফেরিটি নিরাপদে তার গন্তব্যের দিকে যাত্রা শুরু করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার দীর্ঘ নয় ঘণ্টা পর, রাত সোয়া ৪টার দিকে ফেরিটি সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাটে গিয়ে পৌঁছায়। এর মাধ্যমেই সন্দ্বীপ চ্যানেলে আটকে থাকা কপোতাক্ষ ফেরির দীর্ঘ প্রতীक्षित যাত্রার অবসান ঘটে।








