শেকৃবির ৬ শিক্ষক স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৯তম সিন্ডিকেট সভায় ছয় শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে না ফেরায় তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৭:৪৬· ১ মিনিট পড়া

ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত বা স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় যে, এই বড় পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৯তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি এবং শিক্ষক-সংক্রান্ত বিভিন্ন শৃঙ্খলাগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর সিন্ডিকেট সভার সর্বসম্মতিক্রমে ছয়জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেই ছয় শিক্ষক হলেন মো. মেফতাউল ইসলাম সৈকত, মারজানা ইয়াসমিন, সাইফুল্লাহ শাহরিয়ার, মো. জাভেদ আজাদ, মোছা. মাহমুদা পারভীন এবং কে.বি.এম. সাইফুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার স্বার্থে এই ছয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট সুশৃঙ্খল কারণের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। মূলত নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে না ফেরায় তাদের এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তারা কর্মস্থলে যোগ না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সিন্ডিকেট সভায় এমন কঠোর পদক্ষেপের অনুমোদন দেয়।
এ বিষয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ গণমাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিগগির সেগুলো লিখিত আকারে প্রকাশ হবে।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, বহিষ্কারের পুরো প্রক্রিয়াটি খুব শীঘ্রই দাপ্তরিকভাবে লিখিত আকারে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
শিক্ষা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ১০৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার দায়ে ছয় শিক্ষকের চাকরিচ্যুতি বা স্থায়ী বহিষ্কারের বিষয়টি এখন বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।








