শিশুর দুধের দাঁতের যত্ন ও ডেন্টিস্টের পরামর্শ
শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার সময় থেকেই দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত। ফিডারে দুধ খাওয়ানো এবং মুখে দুধ লেগে থাকা দাঁত নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অন্যান্য বিষয়ের মতো দুধের দাঁতের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক অভিভাবকই শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকের কাছে যান না। তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, শিশুর বয়স যখন চার মাস হয় এবং যখন থেকে তার মুখে প্রথম দাঁত উঠতে শুরু করে, ঠিক সেই সময় থেকেই তাকে একজন অভিজ্ঞ দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত।
শিশুর দাঁতের সুরক্ষায় তার খাওয়ার অভ্যাসের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। চিকিৎসকদের মতে, শিশুকে ফিডারে দুধ খাওয়ালে তার দাঁত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফিডার ব্যবহারের ফলে শিশুর দাঁতের দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষতিকারক তরলের সংস্পর্শে থাকার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে দাঁতের নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
দুধ খাওয়ার পর তা শিশুর মুখে লেগে থাকার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। খাওয়ার পর দুধের অবশিষ্টাংশ মুখে জমে থাকলে সেখানে অ্যাসিড ফারমেন্টেশন বা অম্লীয় কিলবিল প্রক্রিয়া ঘটে। এই রাসায়নিক প্রক্রিয়ার কারণে শিশুর কচি দুধের দাঁতগুলো ধীরে ধীরে গলে নষ্ট হয়ে যায়।
শিশুর দাঁত ক্ষয়ের এই প্রক্রিয়া রোধ করতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। নিয়ম মেনে দাঁতের যত্ন না নিলে দুধের দাঁত যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি তা শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও মুখের ভেতর অন্যান্য দাঁতের স্বাভাবিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তাই প্রথম দাঁত গজানোর শুরু থেকেই ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত শিশুর মুখ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। সঠিক সময়ে সচেতন পদক্ষেপ গ্রহণ করলে শিশুদের দুধের দাঁত সুস্থ রাখা এবং দাঁত গলে যাওয়ার মতো সমস্যা থেকে তাদের রক্ষা করা সম্ভব।








