শিশুদের ডিজিটাল আসক্তি ও স্ক্রিন টাইমের নেতিবাচক প্রভাব
ডিজিটাল ডিভাইস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুদের আসক্তি বাড়ছে। ঢাকার শিশুরা গড়ে প্রায় ৫ ঘণ্টা স্ক্রিনে কাটাচ্ছে এবং এর ফলে নানা স্বাস্থ্যগত জটিলতা দেখা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিকভাবেও বিভিন্ন দেশ কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ঢাকায় শিশুদের ডিজিটাল ডিভাইস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি এবং এর নেতিবাচক প্রভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। আইসিডিডিআর,বি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বা মাউশি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার শিশুরা বর্তমানে গড়ে প্রায় ৫ ঘণ্টা স্ক্রিনে কাটাচ্ছে।
আইসিডিডিআর,বির গবেষণায় উঠে এসেছে যে ৮০ শতাংশ শিশু প্রায়ই মাথা ব্যথায় ভুগছে। এছাড়া এক-তৃতীয়াংশের বেশি শিশু চোখের সমস্যায় ভুগছে। এর আগে প্রায় ৮৩ শতাংশ শিশু প্রতিদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি সময় ডিজিটাল ডিভাইস স্ক্রিনের সামনে কাটাচ্ছে বলে জানানো হয়। এই গবেষণায় উচ্চমাধ্যমিক পাশ করা ১ হাজার ১৩৯ শিক্ষার্থীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
শিশুদের এই ডিজিটাল আসক্তি ও ক্ষতিকর প্রভাব শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে। ফ্রান্সের পার্লামেন্ট ২১ জুলাই ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আইন অনুমোদন করেছে। এছাড়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার গত ১৫ জুন ঘোষণা করেছেন যে ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুরা টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, ফেসবুক, ইউটিউব এবং এক্স ব্যবহার করতে পারবে না। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট।








