রাজস্ব সম্মেলনে এনবিআরের অভিনব জাদুঘর পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান
রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এনবিআরের রাজস্ব সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলনে স্থাপিত অস্থায়ী জাদুঘরে অভিনব কায়দায় চোরাচালান করা সোনা ও ঐতিহাসিক দলিলপত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উদ্যোগে আয়োজিত রাজস্ব সম্মেলনে একটি অস্থায়ী জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। আজ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সম্মেলনে এনবিআরের রাজস্ব আহরণসংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে জানানো হয়েছে যে প্রতি ১০০ টাকার রাজস্ব আদায়ে এনবিআর মাত্র ২১ পয়সা খরচ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে রাজস্ব সম্মেলনে স্থাপিত অস্থায়ী জাদুঘর এবং বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেছেন। তার এই উপস্থিতি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
অস্থায়ী এই জাদুঘরে মূলত অভিনব উপায়ে চোরাচালান করা সোনা এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিলপত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। দর্শনার্থী ও অতিথিরা এখানে এসে চোরাচালানের নানা কৌশল এবং প্রাচীন ও দুর্লভ ঐতিহাসিক দলিলগুলো দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
জাদুঘরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ২০০৯ সালে হিলি কাস্টমসের উদ্ধার করা কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তি ও পিতলের কালীমূর্তি রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে নানা ঐতিহাসিক দলিলের অনুলিপি, যা প্রাচীন আমলের শুল্ক ও বাণিজ্য ইতিহাসের এক অনন্য দলিল।
প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৬৭ সালের বিশেষ জুতা এবং ১৯৭৭ সালের একটি বিশাল আকারের রেডিও। এসব অদ্ভুত ও অভিনব মাধ্যমে অতীতে কীভাবে চোরাচালান হতো, তা এই প্রদর্শনীতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
পাশাপাশি, জাদুঘরে ১৬০১ ও ১৬১৫ সালের বাণিজ্য অনুমোদনপত্রের অনুলিপিও প্রদর্শন করা হচ্ছে। এই ঐতিহাসিক দলিলগুলো তৎকালীন বাণিজ্য ও রাজস্ব ব্যবস্থার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। প্রথম আলোসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই আয়োজন ও প্রদর্শনী নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।








