রাজবাড়ীতে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও র্যালি অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীসহ জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজবাড়ীতে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও উদ্বোধনী র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাজবাড়ীর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।
প্রতিযোগিতা শুরুর আগে রাজবাড়ীতে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আজাদী ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। র্যালির পর সেখানে মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ও পুলিশ সুপার মঞ্জুর মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে এবং আয়োজনের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, মানুষের মনে শান্তি দেওয়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীও কোনো ধরনের ভেদাভেদ না রাখার কথা বলেছেন।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর জোর দিয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা অন্য কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ—কারও মধ্যে বিভাজন তৈরি করা যাবে না। সবাইকে মিলেমিশে একসঙ্গে থাকতে হবে।
সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে অনুষ্ঠানে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, মানুষের প্রাণের খোরাক সংগীত, কবিতা, গান ও নাটক। তাই এসব সৃষ্টিকে সুস্থ ও ইতিবাচকভাবে তৈরি করতে হবে। এর মাধ্যমে এমন একটি সাবলীল, গণমুখী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চান তারা, যা সবার মনে শান্তি দেবে।
সবশেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে রাজবাড়ীর এই জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগিয়ে চলে। আয়োজকরা আশা করছেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারা আরও বেশি বিকশিত হবে।








