রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দাম কমেছে, চড়া বেগুন ও টমেটো
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ বাড়ায় কিছু সবজির দাম কমলেও বেগুন, টমেটো ও শিম চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাইজিংবিডির তথ্যে উঠে এসেছে এই চিত্র।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে, জালি ও পেঁপেসহ বেশ কয়েক ধরনের সবজির দাম কমেছে। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার, বাবু বাজার ও কাওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। তবে সবজির বাজারে দাম কিছুটা কমলেও ক্রেতাদের স্বস্তি পুরোপুরি মিলছে না।
বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকায় এবং পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে ও জালি প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া করলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা, লাউ ও ধুন্দল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং দেশি শসা প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং গোল বেগুন প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়।
সবজি বিক্রেতা নাসির হোসেন বলেন, সরবরাহ ভালো থাকায় বেশকিছু সবজির দাম কমেছে। কিন্তু বেগুন ও টমেটো পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই এগুলোর দামও বেশি। অন্যদিকে ক্রেতা জুয়েল আহমেদ জানিয়েছেন, কিছু সবজির দাম কমেছে ঠিকই, কিন্তু সব মিলিয়ে বাজারের ব্যয় খুব একটা কমেনি।
মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস প্রতি কেজি ১১৫০ থেকে ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রেতা মাসুদ রহমান জানান, ফার্মের মুরগির ডিম এখন ডজন ১৫০ টাকা বিক্রি করছেন এবং পাইকারি বাজারে দাম কমলে তারা কম দামে বিক্রি করতে পারবেন। বর্তমানে প্রতি হালি ডিম ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বাজারে তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই ও কাতল মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায় এবং চিংড়ি মাছ প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, মাছের দাম আড়তের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে। আড়তে দাম বেশি থাকলে খুচরা বাজারেও দাম বেশি হয়, এটা স্বাভাবিক বিষয় এবং তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
ক্রেতা আমিনুল ইসলাম জানান, মাছের দাম আগের মতোই আছে। কিছু মাছ তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলেও ভালো মানের মাছ কিনতে গেলে দাম অনেক বেশি। পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী মাছ কিনতে গিয়ে বাজেটের মধ্যে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। রাইজিংবিডির প্রতিবেদনে বাজারের এই সামগ্রিক পরিস্থিতি উঠে এসেছে।








