রাজধানীর অননুমোদিত বাস পূর্বাচল ডিপোতে সরানোর উদ্যোগ
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা অননুমোদিত ও জরাজীর্ণ বাস পূর্বাচলের অস্থায়ী ডিপোতে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা অননুমোদিত ও জরাজীর্ণ বাসগুলো সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই বাসগুলোকে ঢাকার বাইরে পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত একটি অস্থায়ী ডিপোতে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সংক্রান্ত সার্বিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা ও পূর্বাচল এলাকায় এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়।
নতুন এই অস্থায়ী ডিপোটির জন্য পূর্বাচলে ১০ একর জমি নেওয়া হয়েছে। এই ডিপোতে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে প্রায় ১৫০টি বাস রাখা যাবে বলে জানা গেছে। তবে ডিপোটির পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ কাজ শেষ হলে সেখানে মোট ৬০০টি বাস রাখার সক্ষমতা তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থার শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সড়কে অনিয়ম রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আনিছুর রহমান এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, গাড়ির ফিটনেসের কাগজ থাকলেও বাস্তবে যদি তা চলাচলের অনুপযোগী হয়, তবে সেই বাস সড়কে চলতে দেওয়া হবে না।
সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আনিছুর রহমান। তিনি বলেন, 'আপনারা সরকারকে যে কথা দিয়েছেন, যে ওয়াদা করেছেন এবং আমাদের কাছে যে কমিটমেন্ট করেছেন, আসুন আমরা সবাই আমাদের সেই কমিটমেন্ট রক্ষা করি।'
এদিকে ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ির বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বাসের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ২০ বছর এবং অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রে তা ২৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রমকারী বা মেয়াদোত্তীর্ণ প্রায় ৪০টি গাড়ি ইতোমধ্যে বিআরটিএর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর যৌথ উদ্যোগে এই পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে প্রাপ্ত গাড়িগুলোর মধ্য থেকে ১৮টি গাড়ি স্ক্র্যাপ নীতিমালার আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্ক্র্যাপ বা ধ্বংস করা হয়েছে, যা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণের একটি বড় পদক্ষেপ।








