যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন না ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস
মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হতে পারে। এর ফলে তিনি টানা দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ব্যর্থ হতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘ জানিয়েছে, তারা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ পায়নি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি এই নেতাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া কিংবা ভিসা না দেওয়ার একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ২২ আগস্ট নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত তথ্যে এই খবর সামনে আসে।
এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটলে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে। যদি তাকে ভিসা দেওয়া না হয়, তবে এটি হবে টানা দ্বিতীয় বছর, যে তিনি বিশ্ব সংস্থার এই গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সরাসরি উপস্থিত হয়ে ভাষণ দিতে ব্যর্থ হবেন।
এদিকে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের বিষয়ে বিশ্ব সংস্থা জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়াও পাওয়া গেছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক সংবাদমাধ্যমের সামনে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, মাহমুদ আব্বাসের ভিসা না দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ বা তথ্য জাতিসংঘকে দেওয়া হয়নি।
তবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পর্কে জাতিসংঘ সম্পূর্ণ অবগত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্টেফান দুজারিক। তিনি ফিলিস্তিনি নেতার ভিসা সংক্রান্ত এই পরিস্থিতিতে আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিশেষ দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জোর দিয়ে বলেছেন, 'আমরা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাইনি। তবে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে জাতিসংঘ অবগত রয়েছে।'
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মের কথা মাথায় রেখেই যুক্তরাষ্ট্রকে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আয়োজক দেশ হিসেবে আমেরিকার কি করা উচিত, সে বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন।
স্টেফান দুজারিক তার বক্তব্যে আরও যোগ করেন, 'আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হোস্ট কান্ট্রি চুক্তির অধীনে তার দায়িত্ব পালন করা।' ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং জাতিসংঘের সঙ্গে তাদের পরবর্তী যোগাযোগের ওপর পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে।








