যুক্তরাজ্যে বিমান চলাচলে বিশৃঙ্খলা, দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল
যুক্তরাজ্যে গত সপ্তাহে সফটওয়্যার ত্রুটির কারণে আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। এর ফলে দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয় এবং শত শত হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যের আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় এক আকস্মিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। একটি সফটওয়্যার ত্রুটির কারণে এই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম ফেইলিওর বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে, যা দেশজুড়ে ভ্রমণখাতে তীব্র বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
এই প্রযুক্তিগত ত্রুটির সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশটির প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে। হিথ্রো, গ্যাটউইক, লুটন এবং গ্লাসগোসহ যুক্তরাজ্যের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ যাত্রীরা।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই বিপর্যয়ের জেরে দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে শত শত হাজার যাত্রী মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছেন, যারা তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে দীর্ঘ সময় আটকে পড়েন।
ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সরকার আগেই সাইবার হামলার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছিল। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে জানায় যে, কোনো সামরিক বিমান এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী ছিল না।
পুরো পরিস্থিতি নিয়ে ন্যাটসের (Nats) পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থার প্রধান মার্টিন রোলফে (Martin Rolfe) বলেন, গত সপ্তাহে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবাইকে আমি আবারও অত্যন্ত আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা জানাতে চাই।
যাত্রীদের কষ্টের কথা তুলে ধরে মার্টিন রোলফে আরও বলেন, মানুষকে দ্রুত এবং কোনো বিলম্ব ছাড়াই তাদের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের দায়িত্ব এবং যখন তাতে কোনো বিঘ্ন ঘটে, তখন আমরা গভীরভাবে মর্মাহত হই।
তবে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। মার্টিন রোলফে স্পষ্টভাবে জানান, যাইহোক, আমাদের প্রাথমিক ভূমিকা হলো আমাদের আকাশসীমা এবং এর মধ্য দিয়ে যাতায়াতকারী প্রতিটি মানুষকে নিরাপদে রাখা। গত সপ্তাহে কোনো মুহূর্তের জন্যই নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি।








