মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভুয়া মামলায় সাদিক খানের গাড়ি কর রায় প্রত্যাহার
লন্ডনের মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধে একটি গাড়ি কর সংক্রান্ত পুরনো দণ্ডাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্ক্যাম বা জালিয়াতির শিকার হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যের হেরেফোর্ড জাস্টিস সেন্টারে লন্ডনের মেয়র সাদিক খানের বিরুদ্ধে আনা একটি গাড়ি কর সংক্রান্ত বিতর্কিত দণ্ডাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যেখানে দেখা যায় যে মেয়র নিজেই একটি জালিয়াতি বা স্ক্যামের শিকার হয়েছিলেন।
এই পুরো ঘটনার কেন্দ্রে ছিল ২৪ বছরের পুরোনো একটি নিসান মাইক্রা গাড়ি। মজার বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট এই গাড়িটির প্রকৃত মালিক মেয়র সাদিক খান ছিলেন না। অথচ গাড়িটিকে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং পূর্বে তার অনুপস্থিতিতেই মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়েছিল।
পূর্বের সেই একতরফা রায়ে মেয়র সাদিক খানকে বেশ কিছু আর্থিক দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে ২২৫ পাউন্ডের বদলে মোট ২২০ পাউন্ড জরিমানা, আইনি খরচ বাবদ ৮৫ পাউন্ড এবং বকেয়া কর বাবদ ৩৫ দশমিক ৮৪ পাউন্ড পরিশোধের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে পরবর্তীতে বিষয়টি পরিষ্কার হলে ড্রাইভার অ্যান্ড ভেহিকল লাইসেন্সিং এজেন্সি বা ডিভিএলএ নড়েচড়ে বসে। ডিভিএলএ কর্তৃপক্ষ আদালতের কাছে মূল বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করার এবং মামলাটি প্রত্যাহার হিসেবে নথিভুক্ত করার অনুরোধ জানায়।
আদালতে আইনি উপদেষ্টা শুনানির সময় জানান যে, ডিভিএলএর পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে মূল বিষয়টি পুনরায় খোলা হয় এবং মামলাটিকে প্রত্যয়িত বা withdrawn হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
আইনি উপদেষ্টার এই বক্তব্যের পর বিচারপতির আসনে থাকা মিসেস ডিজিংস জেপি এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত জানান। তিনি বলেন, আমরা অনুরোধ অনুযায়ী মামলাটি পুনরায় খোলার বিষয়টি গ্রহণ করছি। পাশাপাশি ডিভিএলএর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা পুরো বিষয়টি প্রত্যাহার হিসেবে চিহ্নিত করতে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য যে, এই ঘটনার পেছনে পরিবহন খাতের বিভিন্ন সংস্থার নামও জড়িত রয়েছে। এর মধ্যে ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন এবং ডিভিএলএ বা ড্রাইভার অ্যান্ড ভেহিকল লাইসেন্সিং এজেন্সির কার্যক্রমের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে শেষ পর্যন্ত হেরেফোর্ড জাস্টিস সেন্টারে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেয়র সাদিক খানের ওপর থেকে এই অযাচিত দণ্ডাদেশ সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো।








