মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের নতুন ভবন নির্মাণকাজে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ১৮ কোটি ১ লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ থাকলেও প্রস্তাবিত জায়গায় পুরোনো ভবন অপসারণ না করায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে অনিশ্চয়তা
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

২০২৪ সালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের নতুন ভবন নির্মাণকাজ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১৮ কোটি ১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং চুক্তি অনুযায়ী কাজ শুরুর পর ৫৪০ দিনের মধ্যে তা শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এবং পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ থাকার পরও মাঠপরয়ে কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। মূল সমস্যাটি তৈরি হয়েছে নির্ধারিত ও প্রস্তাবিত জায়গায় থাকা পুরোনো স্থাপনা নিয়ে। জানা গেছে, প্রস্তাবিত জায়গায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-র পুরোনো ভবনটি এখনও অপসারণ করা হয়নি। পুরোনো ভবনটি অক্ষত থাকায় ঠিকাদার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেখানে নতুন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য হাত দিতে পারছে না।

এই জটিলতা কেবল মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। প্রস্তাবিত জায়গায় বিআরডিবির পুরোনো ভবন অপসারণ না করার এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এবং সংশ্লিষ্ট আইনি মারপ্যাঁচে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন আবেদন করা হয়েছে।

হাইকোর্টে রিট পিটিশন আবেদনটি দায়ের করেছেন সদর উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির (ইউসিসিএ) সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তাঁর এই আইনি পদক্ষেপের কারণে পুরো নির্মাণকাজটি এখন আরও বেশি আইনি জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার মুখে পড়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জড়িত রয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে এলজিইডি, প্রথম আলো, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় এবং সদর উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি (ইউসিসিএ)-র নাম উঠে এসেছে।

এছাড়া এই প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন আফরোজা খানম, মো. আওলাদ হোসেন, মো. আলী আজম, সরদার মো. কেরামত আলী, মৌসুমী নাসরিন এবং নাজমুন আরা সুলতানা। প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত স্থানটিতে দেড় বিঘা জমি রয়েছে, যেখানে এই নতুন কমপ্লেক্স ভবনটি গড়ে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার এই জনগুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণকাজ এখন পুরোপুরি থমকে আছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধির বৈঠক
রাজনীতি

স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধির বৈঠক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

১ মিনিট পড়া
গত ছয় মাসে সরকারের নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তারেক রহমানের নেতৃত্ব
রাজনীতি

গত ছয় মাসে সরকারের নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তারেক রহমানের নেতৃত্ব

গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দাপ্তরিক কাজে সম্মানসূচক উপাধি ব্যবহারের পরিহার এবং নতুন কার্ড চালুর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
ওমরাহ পালনে সৌদি আরব গেলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ
রাজনীতি

ওমরাহ পালনে সৌদি আরব গেলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ

সস্ত্রীক ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি রওনা হন। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।

১ মিনিট পড়া
নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ঐতিহাসিক মূল্যায়ন
রাজনীতি

নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ঐতিহাসিক মূল্যায়ন

১৭১০ সালে জন্মগ্রহণ করা রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ১৭২৮ সালে নদিয়ার জমিদার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রঘুরাম রায়ের এই উত্তরাধিকারী বাংলা, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষায় বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER