মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল চালু
নতুন কার্গো আসার পর তিন দিন বন্ধ থাকার পর মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউ এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ফের শুরু হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে দেশজুড়ে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউ (FSRU) এলএনজি টার্মিনাল থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। গত শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এই টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ চালুর মধ্য দিয়ে দেশের জ্বালানি সরবরাহে গতি ফিরেছে। এর আগে পাইপলাইনে এলএনজি কার্গোর ঘাটতির কারণে গত ১৯ আগস্ট থেকে টার্মিনালটির গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল।
গত ২১ জুলাই সংঘটিত একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই টার্মিনালটির কার্যক্রমে এক ধরণের জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে পাইপলাইনে নতুন এলএনজি কার্গোর অনুপস্থিতির কারণে ১৯ আগস্ট এর সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম (বিপি)-এর একটি এলএনজি বাহক জাহাজ স্পট মার্কেট থেকে কিনে আনা হয় এবং তা নির্ধারিত সময়ের আগেই এসে পৌঁছায়।
এই নতুন কার্গোটি আসার পরই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত শনিবার দুপুর ২টায় টার্মিনালটি চালুর পর তা থেকে প্রাথমিক অবস্থায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি এই সময়ে সামিট টার্মিনাল থেকেও গ্যাস গ্রহণ করা হয় এবং দুপুর ২টার দিকে উভয় টার্মিনাল মিলিয়ে মোট ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়।
বর্তমানে পেট্রোবাংলার অধীনে থাকা দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে মোট এলএনজি সরবরাহ ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই সরবরাহের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন এই টার্মিনাল চালুর ফলে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মধ্যরাতের মধ্যেই দেশে গ্যাস সরবরাহ আরও ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মহেশখালীর টার্মিনাল চালুর এই ইতিবাচক প্রভাবের ফলে বর্তমানে পুরো দেশজুড়ে মোট গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।








