মহাখালীর বাস পূর্বাচলে স্থানান্তর ও লক্কড়-ঝক্কড় গাড়িতে অভিযান
ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকার বাস পূর্বাচলের অস্থায়ী ডিপোতে স্থানান্তরিত হয়েছে। একইসঙ্গে ফিটনেসবিহীন ও লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযانের মূল লক্ষ্য ছিল মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকার অপেক্ষমাণ বাসগুলো পূর্বাচলের অস্থায়ী ডিপোতে স্থানান্তর করা এবং সড়কে শৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।
অভিযান চলাকালে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ফিটনেসবিহীন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কঠোর বার্তা স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ফিটনেস নেই এমন কোনো গাড়ি আর ঢাকার রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না।
এই বিষয়ে মো. আনিছুর রহমান অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন, 'ফিটনেস নেই এমন গাড়ি রাস্তায় চলবে না। আর ফিটনেস আছে, কিন্তু বাস্তবে অবস্থা খারাপ, সেগুলোও চলতে দেওয়া হবে না। অর্থাৎ ঢাকার রাস্তায় কোনও ধরনের লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি আমরা আর চলতে দেব না।'
অভিযানের অংশ হিসেবে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ইকোনমিক লাইফ শেষ হওয়া আনুমানিক ৪০টি গাড়ি বিআরটিএর কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে বিআরটিএর স্ক্র্যাপ নীতিমালায় ইতিমধ্যেই ১৮টি গাড়ি সম্পূর্ণভাবে স্ক্র্যাপ বা ধ্বংস করা হয়েছে।
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এই তৎপরতা ধারাবাহিক রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত জুন মাসে ১১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল এবং এর পর জুলাই মাসে মামলার সংখ্যা বেড়ে ১৭১টিতে দাঁড়ায়।
এই পুরো কার্যক্রমের পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মো. আনিছুর রহমান আরও বলেছেন, 'এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো টার্মিনাল এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করা। পূর্বাচলের অস্থায়ী ডিপোতে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। সব বাস মালিক ও চালকের সহযোগিতা কামনা করছি।'
ডিএমপি এবং বিআরটিএ-র যৌথ এই পদক্ষেপে মহাখালী টার্মিনাল এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








