ভোলা-বরিশাল রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২২ আগস্ট তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের এই সিদ্ধান্ত দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বীপটির সঙ্গে যোগাযোগের উন্নয়ন ঘটাতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে একটি নতুন মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও যুগোপযোগী করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়িত হয় গত ২২ আগস্ট। ওই দিন রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রস্তাবিত মহাসড়কটির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত রুটটিকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। বরিশাল জেলার রহমতপুর থেকে শুরু করে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ হয়ে ভোলা পর্যন্ত এই মহাসড়কটি নির্মিত হবে। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘমেয়াদী দাবির প্রেক্ষিতে এই রুটটিকেই মহাসড়ক নির্মাণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত এই সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে। এতদিন দ্বীপ জেলা ভোলা থেকে মূল ভূখণ্ডে যাতায়াতে নানা ধরনের প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হতো। রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ হয়ে ভোলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বহুলাংশে সহজ ও দ্রুততর হবে।
এই পুরো প্রক্রিয়াটির সঙ্গে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর ছাড়াও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় যুক্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট এই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রকল্পটির পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই নির্দেশনার ফলে ভোলার সঙ্গে সারা দেশের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত হতে চলেছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জনপদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বেগবান হবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত দুর্ভোগ বহুলাংশে লাঘব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।








