ভারত থেকে এলো ৫০০ টন ইলিশ, যেভাবে চিনবেন পদ্মার মাছ
গত দুই মাসে ভারত থেকে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ এসেছে গুজরাটের ভারুচ অঞ্চল থেকে। বাজারে বর্তমানে সাতশ থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন মূল্যে এই ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে পদ্মা-মেঘনা অববাহিকা এবং গুজরাটের উপকূলীয় ইলিশের মধ্যে গঠন ও স্বাদে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দেশের বাজারে ইলিশের সরবরাহ বজায় রাখতে এবং আমদানির গতিপ্রকৃতি নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত দুই মাসে ভারত থেকে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে এসেছে। ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আমদানिकीૃત এসব মাছের একটি বড় অংশ সংগ্রহ করা হয়েছে ভারতের গুজরাটের ভারুচ অঞ্চল থেকে।
বর্তমানে দেশের বাজারে বিভিন্ন আকারের ও দামের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, সাধারণ ক্রেতাদের সাধ্য ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে কেজিপ্রতি সাতশ থেকে আড়াই হাজার বিভিন্ন মূল্যে এখন বাজারে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে দেশীয় ও আমদানिकीૃત ইলিশের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে ক্রেতাদের মনে নানা প্রশ্ন থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপত্তি অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে ইলিশের শারীরিক গঠনে ভিন্নতা রয়েছে। যেমন—পদ্মা-মেঘনা অববাহিকার ইলিশ তুলনামূলক বেশি তেলযুক্ত, নরম ও সুগন্ধি হয়ে থাকে। অন্যদিকে, গুজরাটের উপকূলীয় অঞ্চলের ইলিশ তুলনামূলক বড়, ভারী, লম্বাটে ও সরু গড়নের হয়ে থাকে।
সামগ্রिक মাছের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য পাওয়া গেছে। মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ ব্যবস্থাপনা শাখার উপপরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন যে, ইলিশের উৎপাদন বিভিন্ন কারণে ধীরে ধীরে কমছে।
দেশের বাজারে ইলিশের চাহিদা মেটাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদনের ওপরও বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








