ভারত থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলেই বন্ধ ট্রেন চালুর বিষয়টি বিবেচনা
রাজধানীর রেলভবনে তিন দিনব্যাপী ৩৮তম বাংলাদেশ-ভারত আন্তসরকার রেলওয়ে মিটিং (আইজিআরএম) সমাপ্ত হয়েছে। বৈঠকে বন্ধ থাকা মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর রেলভবনে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩৮তম বাংলাদেশ-ভারত আন্তসরকার রেলওয়ে মিটিং (আইজিআরএম)। এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তসরকার রেলওয়ে বৈঠকটি সম্প্রতি শেষ হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় দুই বছর ধরে তিনটি আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এই ট্রেনগুলো হলো মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বৈঠকে বন্ধ থাকা মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো ঠিক কবে নাগাদ পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে যাত্রীদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হলো।
তবে বর্তমান পরিস্থিতি ও রুট নিয়ে বৈঠকে নতুন কিছু প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় ছিল মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে পদ্মা সেতু হয়ে চালানোর প্রস্তাব। বৈঠকে এই রুট পরিবর্তনের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস যদি চলাচল করতে পারে, তবে যাত্রীদের ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমবে। এতে যাত্রীদের দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের জিয়াউল হক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে এসব ট্রেন বন্ধ করা হয়নি। বরং ভারতীয় কর্তৃপক্ষই এই ট্রেনগুলো বন্ধ করেছে।
জিয়াউল হক আরও বলেন, যেহেতু ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ট্রেনগুলো বন্ধ রেখেছে, তাই এগুলো চালুর বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পরই কেবল বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। রেলভবনে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে সামগ্রিক বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।








