ভারতে আইএসআই-সমর্থিত নেটওয়ার্ক সন্দেহে আড়াই শতাধিক আটক
ভারতের ১৪টি রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনী একযোগে অভিযান চালিয়ে আড়াই শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ভারতজুড়ে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দেশটির ১৪টি রাজ্যে একযোগে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে। এই সমন্বিত অভিযانের মূল লক্ষ্য ছিল সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী ও রাষ্ট্রবিরোধী উপাদানসমূহ, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
নিরাপত্তা বাহিনীর এই সাঁড়াশি অভিযানে সারা দেশ থেকে আড়াই শতাধিক মানুষকে আটক করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে আটকের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যক্তিরা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত একটি গোপন নেটওয়ার্কের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত ছিল।
অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী সন্দেহভাজনদের আস্তানা ও বিভিন্ন স্থান তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ মারাত্মক অস্ত্র ও বিস্ফোরক সামগ্রী জব্দ করেছে। উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে আইইডি বা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস।
আইইডির পাশাপাশি অভিযানে শক্তিশালী গ্রেনেডও উদ্ধার করা হয়েছে। এসব বিস্ফোরক ও ধ্বংসাত্মক সরঞ্জাম দিয়ে বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
বিস্ফোরক ছাড়াও অভিযানে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে পিস্তল এবং তাজা গুলিও জব্দ করা হয়েছে, যা সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের সশস্ত্র প্রস্তুতির বিষয়টি স্পষ্ট করে।
বর্তমানে আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই আইএসআই-সমর্থিত নেটওয়ার্কের অন্য কোনো সদস্য বা দেশের ভেতরে তাদের কোনো সহযোগী রয়েছে কি না, তা উদ্ঘাটনে নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে।








