ভারতের ৫টি বিকল্প পাহাড়ি অবকাশ কেন্দ্র
ভারতের কয়েকটি জনপ্রিয় পাহাড়ি অবকাশ কেন্দ্র নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে কর্ণাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু, ওড়িশা ও রাজস্থানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮:৪৬· ১ মিনিট পড়া

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এমন কিছু পাহাড়ি অবকাশ কেন্দ্র রয়েছে যা পর্যটকদের জন্য দারুণ বিকল্প হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এ ধরনের বিকল্প পাহাড়ি গন্তব্যগুলোর গুরুত্ব বাড়ছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা এই পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর প্রত্যেকটির রয়েছে আলাদা বৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।
কর্ণাটকে অবস্থিত কুর্গ এমনই একটি জনপ্রিয় পাহাড়ি অঞ্চল। এই জায়গাটি কফি আমোদ, সবুজ পাহাড় এবং সর্পিল রাস্তার জন্য অত্যন্ত পরিচিত। যারা পাহাড়ের ঠান্ডা আমেজের সঙ্গে কফির সুবাস উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য কুর্গ একটি দারুণ আকর্ষণীয় স্থান।
দক্ষিণ ভারতের আরেকটি চমৎকার গন্তব্য হলো কুনূর বা কোডাইকানাল। কোডাইকানাল পশ্চিমঘাট পর্বতমালার প্রায় ৭,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। মনোরম পরিবেশ ও সৌন্দর্যের জন্য এই পাহাড়ি এলাকাটি 'প্রিন্সেস অফ দ্য হিলস' বা পাহাড়ের রাজকুমারী নামে পরিচিত।
কেরালায় অবস্থিত মুন্নার একটি আকর্ষণীয় পাহাড়ি শহর। এই শহরটি মুথিরাপুঝা, নালাথান্নি ও কুন্ডালা—এই তিনটি পাহাড়ি নদীর মিলনস্থলের কাছাকাছি নির্মিত হয়েছে। নদীর সংযোগস্থলে গড়ে ওঠা এই জনবসতি পর্যটকদের জন্য এক অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য উপহার দেয়।
ওড়িশার কোরাপুট জেলায় অবস্থিত দেওমালি একটি পাহাড়ি অঞ্চল। এই এলাকাটি মূলত মেঘ, কুয়াশা এবং সবুজ উপত্যকার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পাহাড়ি প্রকৃতির মাঝে মেঘ ও কুয়াশার লুকোচুরি দেখতে যারা ভালোবাসেন, তাদের জন্য দেওমালি একটি উপযুক্ত স্থান।
অন্যদিকে রাজস্থানের আরাবল্লী রেঞ্জের মধ্যে অবস্থিত মাউন্ট আবু একটি জনপ্রিয় পাহাড়ি স্টেশন। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,২২০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। রাজস্থানের উষ্ণ আবহাওয়ার মাঝে এই পাহাড়ি অঞ্চলের উচ্চতা ও পরিবেশ পর্যটকদের বাড়তি স্বস্তি দেয়।








